যুব উন্নয়নের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণে লাখো শিক্ষার্থীর ভিড়

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্যোগে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণে তরুণ-তরুণীদের মধ্যে এবার ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে। ‘যুবদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি’ প্রকল্পের আওতায় পঞ্চম ব্যাচে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ কোর্সে এবার প্রায় এক লাখ আবেদন পড়েছে।
এর মধ্যে প্রথম ধাপে সারা দেশে প্রায় ৬০ হাজার জনের পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। প্রশিক্ষণটি পরিচালনা করছে ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড।
শুক্রবার (৬ মার্চ) ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের সারা দেশের বিভিন্ন অফিসে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে রাজধানীর কল্যাণপুরে প্রধান কার্যালয়ে প্রায় পাঁচ হাজার শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন।
এদিন সকাল ৯টা থেকে কয়েকটি ধাপে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়াসচিব মো. মাহবুব উল আলম।
তিনি বলেন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মেন্ডেট অনুযায়ী ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী যুবদের জন্য কর্মসংস্থান তৈরি করা আমাদের লক্ষ্য। তারই অংশ হিসেবে আমরা এই প্রকল্পটি গ্রহণ করেছি। আমাদের এই কার্যক্রমে প্রায় এক লাখের বেশি শিক্ষার্থী আবেদন করেছ। বিপুল পরিমাণ আগ্রহী প্রার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে এবং প্রতি সিটের বিপরীতে ১২ থেকে ১৩ জন প্রশিক্ষণার্থী প্রতিযোগিতা করছে। এতে বোঝা যায়, সারা দেশে এ প্রকল্পের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
যুব ও ক্রীড়া সচিব মো. মাহবুব উল আলম ছাড়াও পরীক্ষা পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব শামীমা আকতার, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ঢাকা জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক এ কে এম শাহরিয়ার রেজাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
এ ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ আলম, উপদেষ্টা জনাব মোস্তফা কামাল মজুমদার, নির্বাহী পরিচালক কর্নেল গাজী আহসানুজ্জামান, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশিকুর রহমানসহ অন্য কর্মকর্তারা।
পরীক্ষায় অংশ নিতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন পরীক্ষার্থীরাও। ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের দক্ষ করে তোলার আশা তাদের। পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্য থেকেই বাছাই করা হবে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের জন্য চূড়ান্ত অংশগ্রহণকারীদের।
‘যুবদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি’ প্রকল্পের আওতায় পঞ্চম ব্যাচে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ কোর্সে এবার ৮টি বিভাগের ৪৮টি জেলার কর্মপ্রত্যাশী তরুণ-তরুণীদের আবেদন নেওয়া হয়। অনলাইনে আবেদনপ্রক্রিয়া শেষ হয় গত ৩ মার্চ। প্রশিক্ষণটি ৩ মাস ধরে মোট ৬০০ ঘণ্টায় অনুষ্ঠিত হবে।