logo

যে সময় ও জায়গাগুলোতে দোয়া করলে বেশি কবুল হয়

যে সময় ও জায়গাগুলোতে দোয়া করলে বেশি কবুল হয়
মসজিদে বসে প্রার্থনা করছেন এক ব্যক্তি। ছবি: রোজ অব মদিনা

দোয়া অর্থ প্রার্থনা করা, আল্লাহকে একান্তে ডাকা। দোয়া হলো আল্লাহর সঙ্গে বান্দার একান্ত আলাপ। হাদিসে দোয়াকে ইবাদতের মগজ বলা হয়েছে। কারণ, দোয়ার মধ্যে রবের সামনে বান্দার দাসত্ব পূর্ণরূপে প্রকাশ পায়। এ সময় বান্দা আল্লাহ ছাড়া সব কিছু থেকে মুখ ফিরিয়ে, সব উপায়-উপকরণকে পিছে ঠেলে একমাত্র দয়াময় প্রতিপালকের সামনে হাজির হয়। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব।’ (সুরা মুমিনুন, আয়াত: ৬০)

দোয়া কবুল হওয়ার জন্য আল্লাহর ওলি হওয়া জরুরি নয়। যেকোনো পাপী বান্দার দোয়াও মহান আল্লাহ কবুল করেন। যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতে হরজত মুহাম্মদ (সা.) দোয়া করতেন। আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতেন।

আল্লাহর কাছে যেকোনো সময় দোয়া করা যায়। তিনি যেকোনো সময়ের দোয়া কবুল করেন। তবে হাদিসে বিশেষ কিছু সময় ও জায়গার কথা উল্লেখ রয়েছে, যে সময় ও জায়গাগুলোতে দোয়া করলে কবুল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।

১. নামাজের সিজদায় এবং শেষ বৈঠকে তাশাহুদের পর।

২. কদরের রাতে ও আরাফার দিনে।

৩. রমজান মাসের পুরো সময়জুড়ে।

৪. আজানের সময়, আজান ও ইকামতের মধ্যকার সময় এবং যুদ্ধের সময়।

৫. জুমার দিনে ইমামের মিম্বরে বসা থেকে নামাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত সময়।

৬. শেষ রাতে এবং ফরজ নামাজের পর।

৭. বৃষ্টির সময়।

৮. কারও মৃত্যুর পর মানুষের দোয়া।

৯. পবিত্র হয়ে ঘুমানোর পর রাতে উঠে দোয়া করা।

১০. অনুপস্থিত মুসলিম ভাইয়ের জন্য দোয়া করা।

১১. জুলুমকারীর ওপর মাজলুমের দোয়া।

১২. সন্তানের জন্য মা-বাবার দোয়া।

১৩. মুসাফিরের দোয়া।

১৪. রোজা পালনকারীর ইফতারের সময় দোয়া।

১৫. বিপদগ্রস্ত ব্যক্তির দোয়া।

১৬. ন্যায়পরায়ণ শাসকের দোয়া।

১৭. ছোট ও মধ্য জামরায় কঙ্কর নিক্ষেপের দোয়া।

১৮. কাবার ভেতরে দোয়া করা।

১৯. সাফা-মারওয়া পাহাড়ের ওপর দোয়া করা।

২০. আল্লাহর রাস্তায় (জিহাদ) সৈন্যদের অগ্রসর হওয়ার সময়।