মে মাসে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি, অস্বস্তি বেড়েছে খাদ্যেও

গত ১৬ মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়েছে মে মাসে। একই সঙ্গে অস্বস্তি বেড়েছে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতিতেও।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব মূল্যস্ফীতিতে পড়েছে। ফলে সীমিত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর খরচের চাপ আরেক দফা বাড়ল।
রোববার (৭ জুন) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সবশেষ তথ্য বলছে, মে মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ৩৮ শতাংশ বেড়ে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ হয়েছে, গত এপ্রিল মাসে যেটি ছিল ৯ দশমিক ০৪ শতাংশ।
এদিকে অস্বস্তি বেড়েছে খাদ্য মূল্যস্ফীতিতেও। মে-তে খাদ্য মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ৬৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ০৬ শতাংশে। এপ্রিলে যেটি ছিল ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
এপ্রিলে সার্বিক খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশ থাকলেও, তা মে-তে সেটি বেড়ে ৯ দশমিক ৭১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। বেড়েছে শূন্য দশমিক ১৪ শতাংশ।
মে মাসে গ্রামাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ৪৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৪৮ শতাংশে। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৯৫ শতাংশ ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ।
মে মাসে শহরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ২৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ২৫ শতাংশে। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ২৯ শতাংশ ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ২৪ শতাংশ।
এ ছাড়া গত সপ্তাহে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। ফলে চলতি জুন মাসে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন।
