
বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের দুর্গম সাঙ্গু মৌজায় প্রাথমিক শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ম্রো সম্প্রদায়ের শতাধিক শিশু। নিকটবর্তী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো ৭–৮ কিলোমিটার দূরে হওয়ায় দুর্গম পাহাড়ি পথ পাড়ি দিয়ে নিয়মিত বিদ্যালয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না তাদের। এতে রোয়াজাপাড়া, রেংলেপাড়া

স্থপতির প্রতিনিধি না পাওয়ায় প্রায় দুই বছর ধরে বন্ধ রয়েছে বান্দরবান পৌরসভা এলাকায় ভবনের নকশা অনুমোদন কার্যক্রম। এতে একদিকে বৈধভাবে ভবন নির্মাণ করতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়ছেন নাগরিকেরা, অন্যদিকে অনুমোদন ছাড়াই ভবন নির্মাণের প্রবণতা বাড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, এভাবে চলতে থাকলে অপরিকল

একসময় শিশুদের কোলাহলে মুখর থাকত বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ। সকাল হলেই বই-খাতা হাতে দুর্গম পাহাড়ি এলাকার ছোট ছোট শিক্ষার্থীরা ছুটে আসত। শ্রেণিকক্ষে চলত পাঠদান, বিরতির সময় মাঠজুড়ে চলত শিশুদের দৌড়ঝাঁপ। দেয়ালে টাঙানো ছবি আর শিক্ষার্থীদের নানা স্মৃতি যেন এখনো সেই দিনগুলোর সাক্ষ্য বহন করছে। কিন্তু সেই চিত্র এখন অ

পাহাড়ের দুর্গম এলাকার কোনো শিশু যেন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা পাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হয়–এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিশ্ব শিক্ষক দিবসে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পাওয়া বামং খিয়াং মিংলেন। তিনি বান্দরবানের থানচি উপজেলার দুর্গম তিন্দু নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। বামং খিয়াং মিংলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্

ভোরের আলো ফুটতেই কাঁধে বই-খাতা নিয়ে দুর্গম পাহাড়ি পথ ধরে হাঁটা শুরু করেন অথোয়ই মারমা। প্রায় চার কিলোমিটার পথ পেরিয়ে প্রতিদিন পৌঁছান বান্দরবানের লামা উপজেলার বনপুর রাজাপাড়ায়। সেখানে তার অপেক্ষায় থাকে পাহাড়ের একদল শিশু। তাদের অনেকের কাছেই শিক্ষার সুযোগ এখনো সহজলভ্য নয়। অথোয়ই মারমা ২০২৩ সাল থেকে বনপুর

প্রায় সাত বছর ধরে বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার বাজার ফান্ডের আওতাধীন এলাকায় বসবাসকারী হাজারো ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের ঋণসুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। ফলে নতুন ব্যবসা শুরু, ব্যবসার সম্প্রসারণ, আবাসন নির্মাণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বড় ধরনের স্থবিরতা দেখা দিয

বান্দরবানে এখন আর টানা বা ভারী বর্ষণের প্রয়োজন পড়ে না; অল্প সময়ের বৃষ্টিতেই প্লাবিত হচ্ছে জেলার নিম্নাঞ্চল। বিশেষ করে সাঙ্গু নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা ও আশপাশের জনপদ তলিয়ে গিয়ে সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র জলাবদ্ধতা। দীর্ঘদিন ধরে সাঙ্গু নদী ও সংযুক্ত খালগুলো খনন না করা এবং কার

দুর্যোগপ্রবণ পার্বত্য জেলা বান্দরবানের প্রধান বিদ্যুৎ বিতরণ কার্যালয় বর্তমানে চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। শহরের ওয়াপদা ব্রিজসংলগ্ন নিচু এলাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) এই গুরুত্বপূর্ণ কার্যালয়টি প্রতি বর্ষা মৌসুমেই বন্যার পানির হুমকির মুখে পড়ে। ফলে শুধু বিদ্যুৎ সরবরাহ নয়, বরং প

কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ)-এর দীর্ঘদিনের সশস্ত্র তৎপরতায় অস্থির হয়ে ওঠা বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি জনপদে ধীরে ধীরে ফিরছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। নিরাপত্তা বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, মানবিক সহায়তা, যোগাযোগব্যবস্থার সম্প্রসারণ এবং পুনর্বাসন কার্যক্রমের ফলে বাস্তুচ

বান্দরবান সদর উপজেলার লেমুঝিড়ি আগা ঘোনা পাড়ায় পাহাড়ি ঢল ও বর্ষার পানিতে পৌরসভার বর্জ্য ছড়িয়ে পড়েছে। এতে প্রায় ১০ একরের (১৫ কানি) তিন ফসলি কৃষিজমি সম্পূর্ণ চাষের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এর ফলে স্থানীয় কৃষকদের জীবিকা নির্বাহ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে এবং চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছেন তারা। একই সঙ্গে